বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক:
আগামী ৫ মার্চ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) স্নাতক প্রথম বর্ষের (সম্মান) ভর্তি যুদ্ধ। ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন জমা পড়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০টি। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ৬১টি বিভাগে মোট আসনের সংখ্যা ৩ হাজার ৯০৪টি। সেই হিসাবে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন ৪৭ জন পরীক্ষার্থী।
আগামী ৫ মার্চ ‘সি’ ইউনিট, পরদিন ৬ মার্চ ‘এ’ ইউনিট এবং ৭ মার্চ ‘সি’ ও ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। গত বছরের মতো এবারও দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ থাকছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় গত বছরের মতো ৮০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্নের মান হবে ১০০ নম্বর। ১ ঘণ্টা সময়সীমায় প্রতিটি বহুনির্বাচনী প্রশ্নের মান হবে ১ দশমিক ২৫। ভর্তি পরীক্ষা তিনটি ইউনিটে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২টি অনুষদের ৫৯টি বিভাগে ও একটি ইনস্টিটিউটের দুটি বিভাগ মিলিয়ে মোট আসনের সংখ্যা ৩ হাজার ৯০৪টি।
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য বিশেষ কোটায় আসন থাকছে ৬১টি এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য ১১২টি। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য বিশেষ কোটায় প্রতি বিভাগে আসন থাকছে ৫ শতাংশ এবং রাবি শিক্ষক-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য প্রতি বিভাগে বিশেষ কোটায় আসন থাকছে ৫ শতাংশ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে বলেন, রবিবার রাতে চূড়ান্ত আবেদনের সময় শেষ হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত টাকা জমা দেওয়ার সুযোগ ছিল। গত ২৬ জানুয়ারি থেকে ২৯ জানুয়ারি প্রথম দফার আবেদন পূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় দফায় ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় দফায় ৬ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি এবং চতুর্থ দফায় ১০ ও ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চূড়ান্ত আবেদনের সুযোগ পান ভর্তি ইছুক শিক্ষার্থীরা।
আবেদন জমা হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ’ ইউনিটে (মানবিক বিভাগ) চূড়ান্ত আবেদন জমা পড়েছে ৭৪ হাজার ৭০০টি, ‘বি’ ইউনিটে (বাণিজ্য বিভাগ) ৩৪ হাজার ৫০০টি ও ‘সি’ ইউনিটে (বিজ্ঞান বিভাগ) ৭৬ হাজার ৩০০টি।
‘বি’ ইউনিটে চূড়ান্ত আবেদনকারীর সংখ্যা খুবই কম, তাদের জন্য কোনো সুযোগ রাখা হবে কি না– জানতে চাইলে রাবির দপ্তর প্রশাসক প্রদীপ কুমার বলেন, সাধারণত ‘বি’ ইউনিটে চূড়ান্ত আবেদনকারীর সংখ্যা একটু কমই হয়। আবেদনের জন্য সময় বেশি দেওয়া হলেও আবেদনকারীর সংখ্যা খুব একটা বাড়বে না। তাই আমরা অতিরিক্ত সময় দেব না।
Leave a Reply